পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু - The News Lion

পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু




দি নিউজ লায়ন ; পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন বাইক আরোহীর,ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য  ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।ঘটনাটি  ঘটেছে বুধবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আরামবাগ-ঘাটাল রাজ্য সড়কের চন্দ্রকোনা টাউন থানার  বামারিয়া এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আরামবাগ থেকে ঘাটাল গামী একটি পণ্যবাহী ট্রাকের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটর বাইকে করে আসা তিনজন বাইক আরোহী গিয়ে সজোরে পণ্যবাহী ট্রাকের মুখোমুখি  ধাক্কা মারে। যার ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই বাইক আরোহীর এবং গুরুতর আহত হয় অপর জন। 


খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায় চন্দ্রকোনা টাউন থানার পুলিশ। আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায়  স্থানান্তরিত করা হয় ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে, সেখানেই মৃত্যু হয় তার, পুলিশ জানায় মৃত তিন জন যুবক হুগলির বৈতলের বাসিন্দা। যদিও এখনও তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এর ফলে দীর্ঘক্ষন ঘাটাল চন্দ্রকোনা  রাজ্যে সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হয়ে যান চলাচল। অন্যদিকে ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় চন্দ্রকোনা টাউন থানার বামারিয়া  এলাকায়। 


চন্দ্রকোনা টাউন থানার পুলিশ মৃতদেহ তিনটি উদ্ধার করে ঘাটাল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়,সেই সঙ্গে ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। অপর পথ দুর্ঘটনাটি ঘটে ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি থানার বেলদা এলাকায় মঙ্গলবার রাতে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে জামবনি  থানার দুবড়া গ্রাম এর ১৭জন গ্রামবাসী মঙ্গলবার মকর পরবের কেনাকাটা করতে ফেকো হাট গিয়ে ছিল তিন চাকার টেম্পো গাড়িতে। 


দুবড়া গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর মিতুন বিশুই তার ছেলে কর্ণ বিশুই ও দুই মেয়ে কে সঙ্গে নিয়ে বাজার করার জন্য হাটে গিয়েছিল। হাট থেকে ফেরার সময় গাড়িটি বেলদার কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে যায় এবং রাস্তার ধারে থাকা  নয়ানজুলিতে পড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ও জামবনি থানার পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসে।


সেখানে   মিতুন বিশুই  ও তার ছেলে কর্ণ বিশুই কে ডাক্তার বাবুরা মৃত বলে ঘোষণা করে।জামবনি থানার পুলিশ ৪৫ বছর বয়সী মিতুন বিশুই ও তার নাবালক ছেলে ১২ বছরের কর্ণ বিশুই এর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।বাবা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় দুবড়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.